বদলে যাওয়া এক যুক্তরাষ্ট্রের মুখোমুখি হচ্ছেন ট্রাম্প
· Prothom Alo
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাতে মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার কথা। ট্রাম্পের রাজনৈতিক জীবনে এ ভাষণকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গত এক বছরে ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার সীমানাকে বিভিন্ন দিকে প্রয়োগ করেছেন। এতে তিনি অভ্যন্তরীণ ও পররাষ্ট্রনীতি—উভয় ক্ষেত্রেই বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন। তবে তাঁর সব অর্জন জনপ্রিয় হয়নি।
Visit asg-reflektory.pl for more information.
তাঁর নীতিগুলো যেভাবে মূল্যায়িত হোক না কেন, ট্রাম্প এমন এক যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এবারের ভাষণ দেবেন, যা গত বছরের তুলনায় অনেকটাই আলাদা। তিনি দ্রুত তাঁর দ্বিতীয় মেয়াদের ব্যাপক এজেন্ডাগুলো বাস্তবায়ন করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, বৈদেশিক জোটগুলোকে ওলট–পালট করে দেওয়া, মার্কিন রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভিত্তি ক্ষমতার ভারসাম্যকে চ্যালেঞ্জ করা ও মৌলিকভাবে প্রেসিডেন্টের ভূমিকা পুনর্নির্ধারণ করা।
তবে ট্রাম্প বড় ধরনের বাধারও সম্মুখীন হয়েছেন। জনসাধারণ ও আদালতের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে তিনি বাধা পেয়েছেন। এতে তাঁর উচ্চাকাঙ্ক্ষা সীমিত হয়েছে।
জনমত জরিপগুলো ইঙ্গিত দিচ্ছে, দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের ওপর অনেকেই বিরক্ত হয়েছেন। সিএনএনের সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩৬ শতাংশ মার্কিন ট্রাম্পের কাজের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন। ওয়াশিংটন পোস্ট–এর জরিপে তাঁর কাজে সমর্থন মাত্র ৩৯ শতাংশ। তাই স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণটি ট্রাম্পের জন্য জনগণের আস্থা ফেরানোর সুযোগ।
মাত্র আট মাস পরই ভোটাররা নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের ওপর তাঁদের রায় দেবেন। তাঁরা কংগ্রেসে রিপাবলিকানদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা বজায় রাখতে পারেন অথবা ডেমোক্র্যাটদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে পারেন।
ফলে আগামী দুই বছর আইনসভা অচল হয়ে পড়া ও আগ্রাসী তদারকির আশঙ্কা রয়েছে, যা তাঁর নিজের ভাষায়, তাঁকে আবারও অভিশংসিত করার পথ তৈরি করতে পারে।