সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে ৮২ কর্মচারীর পদোন্নতি

· Prothom Alo

শিক্ষার বিভিন্ন দপ্তরে কর্মরত সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটর, উচ্চমান সহকারী ও হিসাবরক্ষক কাম কেরানিসহ ৮২ জন কর্মচারীকে পদোন্নতি দিয়ে ‘সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা’ পদে পদায়ন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Visit asg-reflektory.pl for more information.

মাঠপর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নের দায়িত্বপূর্ণ এ পদে এমন পদোন্নতি নিয়ে শিক্ষক ও শিক্ষা–সংশ্লিষ্ট মহলে প্রশ্ন উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সিদ্ধান্তটি নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিষয়টি তাঁর জানা ছিল না। সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করা হবে।

২৩ ফেব্রুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ পদোন্নতি দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ের ২০০৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বরের সুপারিশ এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা-২০২১ অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ৮২ জন কর্মচারীকে সহকারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হিসেবে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তাঁরা ১০ম গ্রেডে (দ্বিতীয় শ্রেণি) বেতন পাবেন।

উচ্চমান সহকারী-কম্পিউটার অপারেটর থেকে পদোন্নতি পেয়ে ৮২ জন হলেন সহকারী শিক্ষা অফিসার

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকেরা জানতে চান, প্রশাসনিক কাজে নিয়োজিত এসব কর্মচারী দিয়ে গুণগত শিক্ষা তদারকি কতটা কার্যকর হবে। জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সাঁটলিপিকার কাম কম্পিউটার অপারেটরদের বিষয়ে ২৩ ফেব্রুয়ারি কী হয়েছে, এ বিষয়ে তাঁরা কোনো কিছু জানেন না।

এ সময় উপস্থিত একজন কর্মকর্তা জনবলকাঠামো ও পিএসসির সুপারিশের আলোকে এই পদোন্নতি দেওয়ার বিষয়টি অবহিত করলে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এটি আমাদের চোখ এড়িয়ে গিয়েছিল। আমরা খতিয়ে দেখব। এটি রিভিউ করতে হবে।’

সাত কলেজের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়: আবার পর্যালোচনা হচ্ছে

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যোগ্যতা থাকলে কর্মচারীরা পদোন্নতি পেতেই পারেন, সেটা অন্য কোনো পদে হতে পারে। কিন্তু উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা কর্মকর্তারা সরাসরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তদারকি, পাঠদানের মান মূল্যায়ন ও একাডেমিক নির্দেশনা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করেন। এই পদে নিয়োগে একাডেমিক দক্ষতা উপেক্ষিত হলে শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। এ ক্ষেত্রে বিদ্যমান বিধি নিয়েই প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

Read full story at source