টার্নওভার কর কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ চান সুপারশপ ব্যবসায়ীরা

· Prothom Alo

বর্তমানে দেশের সুপারশপগুলোকে মোট লেনদেনের ওপর ১ শতাংশ হারে টার্নওভার কর দিতে হয়। প্রতিষ্ঠানগুলোর লোকসান হলেও তাদের এই কর পরিশোধ করতে হয়। এতে এ খাতের সম্প্রসারণে অর্থায়ন সমস্যা তৈরি হয়। তাই এ কর কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ করার দাবি জানিয়েছেন এ খাতের ব্যবসায়ীরা।

আজ সোমবার রাজধানীর এক হোটেলে ‘বাংলাদেশের আধুনিক রিটেইল খাতের উন্নয়ন: প্রতিবন্ধকতা, উত্তরণের উপায় এবং ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা’ শীর্ষক এক গোলটেবিল বৈঠকে বক্তারা এ কথা বলেন। বাংলাদেশ সুপারমার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত এই বৈঠকে সহযোগিতা করে এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেড।

Visit albergomalica.it for more information.

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী। অনুষ্ঠানে নীতিনির্ধারক, শিল্প উদ্যোক্তা, অর্থনীতিবিদ ও আইন বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও সঞ্চালনা করেন এসএমএসি অ্যাডভাইজরি সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক স্নেহাশীষ বড়ুয়া। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বলা হয়, বর্তমানে বাংলাদেশে খুচরা বাজারের আকার প্রায় ১৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের। যেখানে এই খাত সরাসরি সাড়ে ১৭ হাজারের বেশি মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। সুপারশপগুলো আধুনিক কোল্ড চেইন ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে খাদ্যের অপচয় রোধ ও বিষমুক্ত পণ্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

মূলত অসংগঠিত এই খুচরা বাজারকে আনুষ্ঠানিক অর্থনীতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে সুপারশপগুলো। বৈঠকে বক্তারা আধুনিক খুচরা বাজার খাতের জন্য টার্নওভার ন্যূনতম করের হার বর্তমানের ১ শতাংশ থেকে কমিয়ে দশমিক ২৫ শতাংশ নির্ধারণের সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব করেন।

আলোচনায় অংশ নিয়ে বাংলাদেশ সুপারমার্কেট ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমাদের পরে যাত্রা শুরু করেও নীতি সহায়তা পেয়ে ভারত এগিয়ে গেছে। এখন দেশটির বিক্রির ১৫ শতাংশ সুপারশপ থেকে হলেও আমাদের বাজার হিস্যা মাত্র ৩ শতাংশ। এ দেশে ২০০১ সালে সুপারশপ শুরু হলেও এখনো ভর্তুকি দিয়ে চালাতে হয়।’

সুপারশপ স্বপ্নের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সাব্বির হাসান বলেন, ‘আমরা জেলা শহরে পৌঁছেছি, নীতিসহায়তা পেলে উপজেলা পর্যায়ে যেতে পারতাম। আমরা সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়েছি। প্রথম দিকে পণ্যের দাম কমালে হুমকিও পেতাম। রমজানে বেশ কিছু পণ্যের দাম কম রাখতে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যেমন চিনির দাম বাইরে ১০৫ টাকা হলে স্বপ্নে পাবেন ৯৭-৯৯ টাকা কেজিতে। বেশি বিক্রি করতে পারলে আমরা দামটা কম রাখতে পারি।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইউনিলিভার কনজ্যুমার কেয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান মাসুদ খান, ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশের সভাপতি মো. কাউসার আলম, এনবিআরের সাবেক সদস্য (কর নীতি) অপূর্ব কান্তি দাস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়য়ের অধ্যাপক এম আবু ইউসুফসহ এই খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

Read full story at source