ব্লগার অভিজিৎ হত্যার সাজাপ্রাপ্ত আসামির সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে দেন সাক্ষী মাসরুর
· Prothom Alo

ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত আসামি সাইদুর (শফিউর) রহমান ফারাবী জামিন পাওয়ার পর তাঁর সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে দিয়েছেন সাক্ষী মো. মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী। আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় মাসরুর এ কথা স্বীকার করেছেন।
Visit iwanktv.club for more information.
তবে জেরায় মাসরুর এ–ও বলেন, তিনি নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবির সদস্য ছিলেন, এ কথা সত্য নয়।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তৃতীয় সাক্ষী মাসরুর আনোয়ার চৌধুরী।
গতকাল রোববার এই মামলায় জবানবন্দি দেন তিনি। জবানবন্দিতে মাসরুর বলেন, ২০২০ সালের ১ মার্চ তাঁকে গুম করা হয়।
টিএফআই সেলে গুম করার এই মামলায় মোট ১৭ জন আসামি। এর মধ্যে সাব-জেলে আছেন ১০ জন সেনা কর্মকর্তা। আজ তাঁরা ট্রাইব্যুনালে হাজির আছেন।
তবে ২০২৫ সালের ২৯ ডিসেম্বর কেরানীগঞ্জ মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ মামলার আসামি আলামীনের সঙ্গে ছবি তুলে ফেসবুকে দেওয়ার কথা অস্বীকার করেন মাসরুর। আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গণীর জেরায় তিনি বলেন, ‘এ কথা সত্য নয়’।
জেরায় মাসরুর আরও বলেন, জনির সঙ্গে তাঁর জেলখানায় পরিচয় হয়েছিল। জনিও গুমের শিকার। গুমসংক্রান্ত প্ল্যাটফর্মে জমির সঙ্গে তাঁর ছবি পোস্ট করা থাকতে পারে। তবে জনি কেরানীগঞ্জ মাদ্রাসায় বোমা বিস্ফোরণ মামলার আসামি কি না, তা তিনি জানেন না।
টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় গ্রেপ্তার ১০ আসামি হলেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম এবং কে এম আজাদ; কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে); লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম সুমন ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম।
এই মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তাঁরা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর সাবেক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।