হেলিকপ্টার মিলন

· Prothom Alo

মধ্যবিত্ত দর্শক হলে ফিরেছে। দর্শক এখন প্রচুর আছে, কিন্তু যথেষ্ট সিনেমা নাই! সিনেমার এই বারোমাসি চাহিদার জোগান দিতে তাই একেবারে অরিজিনাল রেডিমেড মুভি স্টোরিজ নিয়ে এল রস-ফ্লিক্স।

মিলন স্যার সৎ মাস্টার, সাথে পরীক্ষায় কড়া গার্ড দেওয়ার জন্য স্কুল-বিখ্যাত। ‘স্বপ্নে নকল করলেও মিলন স্যার ধরতে পারে’, ‘স্যার বর্ডারে থাকলে আর কোনো গার্ড লাগত না’—অনেকেই অনেক কিছু বলত। অতঃপর একদিন, এলাকার গ্যাংস্টার ফেক্কু মিয়ার ছেলের নকল ধরে ফেলেন মিলন স্যার, আর তখনই বহিষ্কার! গ্যাংস্টার ফেক্কু মিয়া চলে আসেন জিপ নিয়ে, গুন্ডারা চেপে ধরে স্যারকে। ফেক্কু মিয়া বলে, ‘ভাতিজারে হেলিকপ্টারে তোল।’

সেদিন থেকেই, মিলন স্যারের ছাত্র মিলন জুনিয়র নকলকে ঘৃণা করে। প্রতিজ্ঞা করে, স্যারকে একদিন খুঁজে বের করবেই। কেটে যায় ১৭টা বছর। গ্যারেজে বসে নিজেই বানায় হেলিকপ্টার, ক্লোজ বড় ভাইয়ের থেকে পাইলট কার্ড নিয়ে উড়াল দেয় আকাশে। যুদ্ধ করতে থাকে সব রকম নকলের বিরুদ্ধে। পরীক্ষায় নকল থেকে নকল পণ্য বিক্রি, মিলন হাজির হয় সবখানে। নকল ঠেকানোর নেশায় জড়িয়ে পড়ে অন্ধকার জগতে। আর সেখানেই মিলন ফেক্কু মিয়ার গ্যাং খুঁজে পায়। নকল গুন্ডা সেজে ফেক্কু মিয়ার দলে যোগ দিয়ে হয়ে যায় ‘ফেইক মিলন’। এখানেই দেখা হয় লেডি ফাইটার নায়িকা মনিকার সাথে। রোমান্টিক গানে দেখি হেলিকপ্টারে তাদের উড়ন্ত মিলন, মানে মিলনাত্মক দৃশ্য।

Visit freshyourfeel.org for more information.

এদিকে মনিকা ফেইক মিলনকে জানায়, তার স্যার এখনো ফেক্কু মিয়ার গুপ্ত আস্তানায় বন্দী। স্যারকে খুঁজতে ফেইক মিলন যায় গুপ্ত ড্যান্স ক্লাবে। এখানেই আইটেম সং, লাস্যময়ী এক সুন্দরী গাইতে থাকে—তুমি আমার সুইট হেলিকপ্টার, মিলন হবে কবে তোমার আমার? গান শেষে ক্লাবেই হয় ফাইনাল ফাইট। স্যারকে উদ্ধার করে হেলিকপ্টারে তুলে আনে, অতঃপর শিক্ষক–ছাত্রের মধুর মিলন। শেষ দৃশ্যে স্যার মিলন ছাত্রকে বলেন, ‘হেলিকপ্টার এত ঝাঁকি মারে ক্যা, পাইলট পরীক্ষা কি নকল কইরা পাস করছস?’

Read full story at source