‘ঋতু আমার কাছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা উইঙ্গার’—বাটলারের প্রশংসা
· Prothom Alo
বাংলাদেশের নারী ফুটবল দলের সবচেয়ে বড় তারকা এখন ঋতুপর্ণা চাকমা। বাংলাদেশকে গত সাফ জেতাতে রেখেছেন বড় ভূমিকা। ফাইনালে তাঁর জয়সূচক গোল স্তব্ধ করে দেয় নেপালিদের। এরপর গত বছর জুলাইয়ে এশিয়ান কাপের বাছাইয়ে স্বাগতিক মিয়ানমারের বিপক্ষে তাঁর বাঁ পায়ের জোড়া গোলে ইতিহাস গড়ে বাংলাদেশ। প্রথমবার বাংলাদেশ ওঠে এশিয়ান কাপের চূড়ান্ত পর্বে।
Visit h-doctor.club for more information.
সেই ঋতুপর্ণা এবার গোয়ায় চলমান সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে হ্যাটট্রিক মিশনে প্রথম ম্যাচে ঠিক আগের মতো আলো কাড়তে পারেননি। তবে মাঠে তাঁর চেষ্টার কোনো কমতি ছিল না। মালদ্বীপ ম্যাচে বাঁ প্রান্ত দিয়ে ২২-২৩টি ক্রস করেছেন।
কিন্তু ক্রসগুলো ঠিকঠাক হচ্ছিল না। কোনোটি হয়তো এক পা ভেতরে ঢুকে করতে পারতেন, কোনটি আরেকটু আগেই। সময়ের গরমিল হওয়ায় ক্রস থেকে ভালো ফল আসেনি। যদিও ম্যাচের মাত্র ১১ সেকেন্ডে করা আনিকা রানিয়া সিদ্দিকী যে গোলটি করেছেন, সেটি তাঁরই পাস থেকেই এসেছে।
‘অবাস্তব গোলের কল্পনা করবেন না, ফুটবল এভাবে চলে না’—চেনা মেজাজেই বাটলারআজ সকালে মারগাঁওয়ের ডন বস্কো কলেজ মাঠে অনুশীলন শেষে কোচ পিটার বাটলার নিজেই টেনে আনেন ঋতুপর্ণার প্রসঙ্গ। বলেন, ‘ঋতুর জন্য ওই দিনটি খারাপ ছিল এবং এমনটা হতেই পারে।’
অনুশীলন শেষে কোচ পিটার বাটলারএরপর ঋতুকে দেন দরাজ সার্টিফিকেট, ‘ঋতু আমার কাছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা উইঙ্গার। সে তরুণ এবং দারুণ প্রতিভাবান; সে দলের জন্য একপশলা টাটকা বাতাসের মতো, তা ছাড়া মনিকা ফিরে আসায় আমি খুশি।’ কোচ প্রশংসা করেছেন আনিকারও। বলেছেন, ‘আনিকা দলের খেলায় সম্পূর্ণ নতুন একটি মাত্রা যোগ করেছে।’
বাটলারের উত্তর, ‘আমরা এখন একটি সম্পূর্ণ আলাদা দল এবং অনেক ভালো ফুটবল খেলছি। আমাদের দলে কিছু প্রকৃত ‘ম্যাচ উইনার’ আছে। বিশেষ করে ভারতের আক্রমণ করার মানসিকতা থাকলে আমাদেরও তা আছে। আমরা যেমন প্রয়োজনবোধে রক্ষণভাগ সামলাতে জানি, তেমনি গোল করার সুযোগও তৈরি করতে পারি।’