কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়ছে, তবে বন্যার আশঙ্কা নেই: পাউবো

· Prothom Alo

উজানের ঢল ও বৃষ্টির প্রভাবে কুড়িগ্রামে ধরলা, তিস্তা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ কয়েকটি নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে জেলার সব নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আজ রোববার সকাল ৯টায় কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নদ-নদীর পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে।

পাউবো জানিয়েছে, আপাতত বন্যার আশঙ্কা নেই। তবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

Visit afnews.co.za for more information.

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কুড়িগ্রাম পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি সকাল ৬টায় ২৪ দশমিক ২০ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় ২৪ দশমিক ৫০ মিটারে পৌঁছেছে। পানি বেড়েছে ৩০ সেন্টিমিটার। এ পয়েন্টে নদীর বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ৫০ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় এ এলাকায় ৩০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

পাটেশ্বরী পয়েন্টে দুধকুমার নদের পানিও বেড়েছে। সকাল ৬টায় ২৮ দশমিক ৩৫ মিটার থাকা পানি সকাল ৯টায় ২৮ দশমিক ৩৯ মিটারে পৌঁছায়। এ নদের বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৬০ মিটার। পাটেশ্বরী এলাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদের নুনখাওয়া পয়েন্টে পানি সকাল ৬টায় ২৩ দশমিক ৭৬ মিটার থেকে বেড়ে সকাল ৯টায় ২৩ দশমিক ৭৭ মিটারে দাঁড়িয়েছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৬ দশমিক ০৫ মিটার। তবে এ এলাকায় কোনো বৃষ্টি রেকর্ড হয়নি।

অন্যদিকে জেলার দুটি পয়েন্টে নদীর পানি সামান্য কমেছে। ধরলার তালুক শিমুলবাড়ী পয়েন্টে সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৭৮ মিটার। সকাল ৯টায় তা কমে ২৯ দশমিক ৭৫ মিটারে নেমে আসে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ৩০ দশমিক ৮৭ মিটার।

তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টেও পানি কিছুটা কমেছে। সকাল ৬টায় পানির উচ্চতা ছিল ২৯ দশমিক ৫০ মিটার। সকাল ৯টায় তা কমে ২৯ দশমিক ৩০ মিটারে নেমেছে। এ পয়েন্টে বিপৎসীমা ২৯ দশমিক ৩১ মিটার। সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৭ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করা হয়েছে।

কুড়িগ্রাম পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিবুল ইসলাম বলেন, উজানের ঢল ও স্থানীয় বৃষ্টির কারণে জেলার কয়েকটি নদীর পানি ধীরে ধীরে বাড়ছে। তবে সব নদ-নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার নিচে আছে। তাই তাৎক্ষণিক বন্যার আশঙ্কা নেই। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

Read full story at source