১০০ রুপি ক্যাশব্যাক পেতে গিয়ে জুটল কেবল চকলেট

· Prothom Alo

অনলাইন কেনাকাটায় ছাড় কিংবা ক্যাশব্যাক পেতে আমরা কত কী-ই না করি। সামান্য কিছু টাকার জন্য অফার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে দেখে কার্টে প্রয়োজন নেই, এমন কমদামি জিনিসও যোগ করার অভিজ্ঞতা অনেকেরই আছে। কিন্তু ভারতের এক ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই বুদ্ধিই চরম হাস্যকর এক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে।

ওই ব্যক্তি অফারে ১০০ রুপির ক্যাশব্যাক পেতে ৯০৩ রুপির পণ্য কেনেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত তাঁর কপালে জোটে ৫ রুপির একটি চকলেট।

Visit rouesnews.click for more information.

ঘটনাটি ঘটেছে চেতন বশিষ্ঠ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে। সম্প্রতি লিংকডইনে তিনি তাঁর সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই অদ্ভুত ও মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে।

ঘটনাটি ঘটেছিল একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মে। চেতন অনলাইন থেকে ৮৯৮ রুপি মূল্যের একটি ঘণ্টা অর্ডার করছিলেন। সে সময় প্ল্যাটফর্মটিতে একটি বিশেষ অফার চলছিল—কমপক্ষে ৮৯৯ রুপির কেনাকাটা করলে ১০০ রুপি ক্যাশব্যাক পাওয়া যাবে। হিসাব করে চেতন দেখলেন, মাত্র ১ রুপির জন্য অফারটি তাঁর হাতছাড়া হচ্ছে।

অফারটি লুফে নিতে তিনি কার্টে সবচেয়ে কম দামে কোন পণ্যটি আছে, তা খুঁজতে শুরু করেন। খুঁজতে খুঁজতে মনের মতো একটি পণ্য পেয়েও যান। মাত্র ৫ রুপি মূল্যের একটি ‘পার্ক’ চকলেট। তিনি ৯০৩ রুপি দিয়ে একসঙ্গে দুটি পণ্য অর্ডার করেন আর অফারের ক্যাশব্যাক ১০০ রুপি পেয়ে যান।

সবকিছু ঠিকঠাকই আছে, এমন মনে হলেও বিপত্তি ঘটায় ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মের স্বয়ংক্রিয় লজিস্টিক সিস্টেম। অর্ডার নিশ্চিত হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ মূল পণ্য ঘণ্টাটির অর্ডার বাতিল হয়ে যায়; কারণ, গুদামে পণ্যের মজুত নেই। কিন্তু স্বয়ংক্রিয় অ্যালগরিদমের কারণে ৫ রুপির চকলেটের অর্ডারটি সচলই থেকে যায়।

তার ঠিক ১০ মিনিট পর মোটরসাইকেলে করে চেতনের দরজায় এসে হাজির হন দুই ডেলিভারি বয়। দরজা খুলে চেতন লক্ষ করেন, দুই যুবকই হাসছেন।

হাসির কারণ জানতে চাইলে দুই যুবক স্বীকার করেন, অনলাইন থেকে কে মাত্র ৫ টাকার একটা চকলেট অর্ডার করেছেন, সেটা দেখতে তাঁরা দুজন এত দূর ছুটে এসেছেন।

এ কথা শুনে রেগে না গিয়ে চেতনও বিষয়টিকে মজা হিসেবেই নেন। ডেলিভারি বয়দের রসিকতার জবাবে তিনি বলেন, তাঁরা আসার আগে তাঁকে ফোন করলে তিনি চকলেটটি তাঁদের খেয়ে নিতে বলতেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনাটি ছড়িয়ে পড়ার পর নেটিজেনরা হাসিতে ফেটে পড়েন।

Read full story at source