২৯ জুলাইয়ের মধ্যে সিদ্ধান্ত না এলে আন্দোলনের ঘোষণা সুপারিশপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষকদের
· Prothom Alo

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ১৪ হাজার ৩৮৪ জন নিয়োগপ্রত্যাশী আবারও আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তাঁরা বলেছেন, ২৯ জুলাইয়ের মধ্যে নিয়োগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য বা নির্দিষ্ট সময়সূচি না পেলে তাঁরা রাজপথে নামবেন।
Visit betsport.cv for more information.
আজ সোমবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন নিয়োগপ্রত্যাশীরা। তাঁরা বলেন, নিয়োগের বিষয়ে তাঁরা বারবার মৌখিক আশ্বাস পেয়েছেন। কিন্তু এখনো নিয়োগ হয়নি। ফলে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও তাঁরা অনিশ্চয়তায় রয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনের আগে তাঁদের একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহীনা ফেরদৌসীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। পরে সংবাদ সম্মেলনে তাঁরা জানান, মহাপরিচালক বলেছেন, ২৯ জুলাই তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সেখানে নিয়োগের বিষয়টি উপস্থাপন করা হবে।
নিয়োগপ্রত্যাশীরা বলেন, ‘২৯ জুলাইয়ের মধ্যে আমাদের নিয়োগের বিষয়ে লিখিত কোনো বক্তব্য বা নির্দিষ্ট তারিখ না পেলে আমরা আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হব।’ তাঁরা আরও বলেন, ‘আমরা রাস্তায় আসতে চাই না, ক্লাসরুমে থাকতে চাই। কিন্তু আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে।’
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল ১০ আগস্টগত ৮ ফেব্রুয়ারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়। এতে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থী নির্বাচিত হন। পরে ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চের মধ্যে তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা (ডোপ টেস্টসহ) এবং প্রয়োজনীয় সনদ যাচাইয়ের কাজ সম্পন্ন হয়। প্রার্থীদের ভাষ্য, নিয়ম অনুযায়ী এরপরই যোগদানের কথা থাকলেও প্রায় ছয় মাস ধরে নিয়োগপ্রক্রিয়ায় আর কোনো অগ্রগতি হয়নি।
কাজের বেলায় ‘ঠনঠন’, করপোরেট ঢঙে ষোলো আনা: সংকটে অনেক বেসরকারি চাকরিজীবীএদিকে নির্বাচিত প্রার্থীদের পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজ চলছে বলে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সরকার নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দিলেও তাঁদের চূড়ান্ত পদায়ন প্রাথমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণকেন্দ্র (পিটিআই) থেকে প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করার পর করতে চায়।
শিক্ষা ক্যাডারে বদলিতে বড় পরিবর্তন, তিন কমিটির মাধ্যমে বদলি, মানতে যেসব শর্ত