১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: দুই সমরনায়কের বাগ্‌যুদ্ধ

· Prothom Alo

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড ও তার পূর্বাপর ঘটনা নিয়ে লেখালেখি কম হয়নি। লেখক, গবেষক, সাংবাদিকেরা তো লিখেছেনই; এমনকি খোদ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত সেনাসদস্যরাও নানা সময়ে দেশি-বিদেশি সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার, বক্তব্য ইত্যাদি দিয়েছেন। ইতিহাসের এই নির্মম হত্যাকাণ্ড নিয়ে আলোচনা–লেখালেখির যে শিগগিরই ইতি ঘটবে, তার কোনো কারণ নেই।

Visit newsbetting.cv for more information.

এসব লেখালেখির মধ্যে যদি সে সময়ে কর্মরত সেনাবাহিনীর শীর্ষ পদের দুজন কর্মকর্তা—যাঁদের ওপর ‘বিদ্রোহ’ দমনের সর্বাধিক দায় বর্তায়—পুরো ব্যাপারটি ব্যাখ্যা ও বর্ণনা করতে গিয়ে পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলেন, তাহলে স্বাভাবিকভাবেই ইতিহাসের গবেষক বা সাধারণ পাঠককে তা কৌতূহলী করে তোলে। এ কারণেই মতিউর রহমান সম্পাদিত এবং তাঁর নেওয়া সাক্ষাৎকারসংবলিত ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: কে এম সফিউল্লাহ ও শাফায়াত জামিল বিতর্ক বইটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসচর্চায় একটি তাৎপর্যপূর্ণ সংযোজন বলে মনে করি।

সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে মতিউর রহমানের পেশাজীবন দীর্ঘ। তাঁর নেওয়া কে এম সফিউল্লাহর একটি সাক্ষাৎকারকে ঘিরে দুই সমরনায়কের বাদ-প্রতিবাদ এই বইটির মূল উপজীব্য। তবে সন্দেহ নেই, ‘কাছ থেকে দেখা আগস্ট ট্র্যাজেডি’ শিরোনামে কর্নেল (অব.) শাফায়াত জামিলের লেখাটি এ বইয়ের অন্যতম আকর্ষণ। বইটির ভূমিকাংশ পাঠ করে জানা যায়, শাফায়াত জামিলের এই লেখা ও সাক্ষাৎকারটি পাওয়ার জন্য এক দশকের বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে তৎকালীন ভোরের কাগজ–এর সম্পাদককে। সেই পত্রিকায় শাফায়াত জামিলের নিবন্ধটি প্রকাশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন কে এম সফিউল্লাহ। যথারীতি তা ছাপাও হয়েছে। এসব তর্কের সূত্রে রাষ্ট্র পরিচালনার কেন্দ্র ও সামরিক বাহিনীর অভ্যন্তরে যেসব নাটকীয় ঘটনা তখন ঘটছিল, তার অনেকটাই পাঠকের গোচরে আসে। এদিক থেকে বিবেচনা করলে ১৯৯০–এর দশকের নানা সময়ে পত্রিকায় প্রকাশিত এসব সাক্ষাৎকার, নিবন্ধ ও বাদানুবাদ দুই মলাটের মধ্যে সংকলিত করায় পাঠক ধারাবাহিক ইতিহাস পাঠের তৃপ্তি লাভ করেন। তদুপরি ৩ নভেম্বর অভ্যুত্থান নিয়ে শাফায়াত জামিলের সাক্ষাৎকারটি পাঠকের মনে রীতিমতো থ্রিলার পাঠের উত্তেজনা সঞ্চার করে।

‘প্রসঙ্গ-কথা’ শিরোনামে গ্রন্থের ভূমিকাংশে মতিউর রহমান যথার্থই বলেছেন, ‘ইতিহাসচর্চা একটি নিরন্তর প্রক্রিয়া। ইতিহাসের অনেক মূল্যবান সত্য সব সময়ই অপ্রকাশ্য থেকে যায়। একই ঐতিহাসিক ঘটনা যখন একাধিকজন প্রত্যক্ষ করেন, তখন তাঁদের বর্ণনা ও ব্যাখ্যা ভিন্ন ভিন্ন হয়। দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতা ও রাজনৈতিক মতভিন্নতার কারণেই এসব ঘটে থাকে। আবার যাঁরা সেই ইতিহাসের অংশীজন, তাঁরা যখন ঘটনার বর্ণনা দেন, তখন অনেক সময়ই নিজের ভূমিকা বাড়িয়ে বলেন। অনেক ক্ষেত্রে তথ্যও গোপন করেন, অন্যের ভূমিকা খাটো করে দেখান, অভিযোগের আঙুল তোলেন। তবু সত্য সন্ধানের জন্য ইতিহাসের চরিত্রগুলোর কাছে যেতে হয়, নিতে হয় সাক্ষাৎকার বা পড়তে হয় তাদের লেখা।’

মতিউর রহমানের ‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: কে এম সফিউল্লাহ ও শাফায়াত জামিল বিতর্ক’ বইয়ের প্রচ্ছদ
সাবেক সেনাপ্রধান সফিউল্লাহর সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাবেক ব্রিগেড কমান্ডার শাফায়াত জামিল লেখেন, ‘বিদ্রোহ সংঘটিত হয়ে যাওয়ার পরই আমাকে অবহিত করানো থেকে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে সর্বস্তরে ষড়যন্ত্রটিকে আড়াল করার একটা প্রচ্ছন্ন চেষ্টা বিদ্যমান ছিল। সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এই বিশাল ব্যর্থতার দায়ভার সাবেক সেনাপ্রধানকে এককভাবে বহন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

তৎকালীন ভোরের কাগজ–এর সম্পাদক মতিউর রহমান দীর্ঘকাল ধরে বারবার কে এম সফিউল্লাহ ও শাফায়াত জামিলের কাছে গেছেন ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে তাঁদের অভিজ্ঞতা সংগ্রহ করার জন্য। কারণ আগেই বলা হয়েছে, সপরিবার বঙ্গবন্ধু হত্যার ঘটনা প্রতিরোধে ব্যর্থতার যেটুকু দায় সেনাবাহিনীর ওপর বর্তায়, তাতে প্রথম দিকেই আসে এ দুজনের নাম। প্রথমজন ছিলেন তৎকালীন সেনাপ্রধান, দ্বিতীয়জন ঢাকার ৪৬ ব্রিগেডের কমান্ডার।

‘বিদ্রোহী’ বা উচ্ছৃঙ্খল সেনাসদস্যদের কেন তাঁরা নিবৃত্ত বা প্রতিরোধ করতে পারলেন না, ঠিক কোন জায়গাটিতে তাঁদের ঘাটতি বা অযোগ্যতা কিংবা আদৌ তাঁদের উদ্যম বা তৎপরতা ছিল কি না—এসব নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে যথেষ্ট কৌতূহল ছিল। কিন্তু দুজনই দীর্ঘদিন এ নিয়ে মুখ খোলেননি।

কে এম সফিউল্লাহ প্রায় ১৭ বছর কূটনীতিকের দায়িত্ব নিয়ে দেশের বাইরে থেকেছেন। সে কারণে এ বিষয়ে তাঁর পক্ষে কিছু বলা সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে শাফায়াত জামিল বিভিন্ন সময়ে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে স্মৃতিচারণামূলক নিবন্ধ-প্রবন্ধ লিখলেও ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিশেষ কিছু লেখেননি।

১৯৯৩ সালে ১৭ বছরের কূটনৈতিক জীবন শেষে কে এম সফিউল্লাহ দেশে ফিরে আসার পর মতিউর রহমান তাঁর একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকার নিতে সমর্থ হন। বলা যায়, ঠিক তখন থেকেই একটি উত্তপ্ত বিতর্কের সূত্রপাত। সফিউল্লাহর সাক্ষাৎকারে ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থান প্রতিরোধে ব্যর্থতার জন্য শাফায়াত জামিলকে সরাসরি দায়ী করা হলে তিনি তার প্রতিবাদ করেন। শাফায়াত উল্লেখ করেন, সফিউল্লাহ নিজের ব্যর্থতার দায় তাঁর ওপর চাপাতে চাইছেন। এই প্রতিবাদেরও উত্তর দেন সফিউল্লাহ। লেখেন, নিজের দায়িত্বের ব্যর্থতা তিনি কারও ঘাড়ে চাপাতে চান না, যা সত্য তা–ই তুলে ধরেছেন মাত্র।

এভাবে জমে ওঠে বিতর্ক। আর তার সূত্র ধরে বেরিয়ে আসতে থাকে আরও অনেক অজানা, অথচ শিহরণসঞ্চারী তথ্য। দুই সেনা কর্মকর্তা শুধু পরস্পরের দায়িত্বহীনতার কথা বলেই ক্ষান্ত দেননি; বরং একে অপরের প্রতি এ প্রশ্নও পর্যন্ত তুলেছেন যে এই হত্যাকাণ্ডে কার কতখানি দায়। সেটা তাঁদের তাৎক্ষণিক ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ছিল নাকি এর পেছনে গভীর কোনো সত্য ছিল—সে বিতর্ক চলবে। তবে এ ধরনের প্রতিক্রিয়া পাঠক-গবেষককে নতুন করে চিন্তার সুযোগ করে দেয়।

সাবেক সেনাপ্রধান সফিউল্লাহর সাক্ষাৎকারের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সাবেক ব্রিগেড কমান্ডার শাফায়াত জামিল লেখেন, ‘বিদ্রোহ সংঘটিত হয়ে যাওয়ার পরই আমাকে অবহিত করানো থেকে ধরে নেওয়া যেতে পারে যে সর্বস্তরে ষড়যন্ত্রটিকে আড়াল করার একটা প্রচ্ছন্ন চেষ্টা বিদ্যমান ছিল। সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের এই বিশাল ব্যর্থতার দায়ভার সাবেক সেনাপ্রধানকে এককভাবে বহন করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই।’

কে এম সফিউল্লাহ বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। তবে তাদের বিভিন্ন কার্যকলাপে বাইরের কোনো কোনো শক্তির হাত ছিল বলে আমি বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধু সরকারের পতনের পর যারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেয়, স্বাগত জানায়, তাতে তো তাদের পরোক্ষ সমর্থন ছিল বলে মনে করার কারণ রয়েছে।’

তীব্র বাক্যবাণের মুখে তৎকালীন সেনাপ্রধানের কণ্ঠে হতাশা ও গ্লানির সুর ধ্বনিত হয়, ‘মোশতাক সরকারের আনুগত্য স্বীকার করা ছাড়া আমার আর একটাই পথ ছিল। আর সেটা ছিল আত্মহত্যা। আত্মাহুতি দিতে না পারাই বোধ হয় আমার ব্যর্থতা।’

অনুতাপের পাশাপাশি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার অস্ত্র ব্যবহার করতেও দ্বিধা করেননি তিনি। কর্নেল (অব.) এম এ হামিদের বই তিনটি সেনা অভ্যুত্থান ও কিছু না বলা কথা থেকে উদ্ধৃত করেছেন, যেখানে ১৫ আগস্ট সকালের পরিস্থিতি বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এভাবে, ‘সবাই উল্লাস করছে। শাফায়াত জামিলও সেখানে। চোখেমুখে তার বিজয়ের হাসি। যেন তার ব্রিগেড লঙ্কা জয় করেছে। আমার সঙ্গে হাত মিলিয়ে বলল, “দেখলেন স্যার, ফ্রিডম ফাইটার্স ডান ইট বিফোর, অ্যান্ড দে হ্যাভ ডান ইট এগেইন।”’ উদ্ধৃতির পর নিজের এই মত জুড়ে দিয়েছেন কে এম সফিউল্লাহ, ‘হামিদের এই মন্তব্য যদি সঠিক হয়, তাহলে অভ্যুত্থানকারীদের সঙ্গে শাফায়াতের একটা সম্পর্ক ছিল ধরে নিলে কি ভুল হবে?’

দুই সমরনায়কের নিবন্ধ, সাক্ষাৎকার ও বাদ-প্রতিবাদের সূত্রে ফারুক-রশিদ-ডালিমসহ বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী সেনাসদস্যদের তৎপরতার চিত্র যেমন এই গ্রন্থে উঠে এসেছে, তেমনি খন্দকার মোশতাক, জেনারেল (অব.) ওসমানী, তাহেরউদ্দিন ঠাকুর, জিয়াউর রহমান, খালেদ মোশাররফ ও হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সেই সময়কার ভূমিকা ও তৎপরতার প্রসঙ্গও আলোচিত হয়েছে, যা তাঁদের সম্পর্কে পাঠকের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সহায়ক হবে বলে আমাদের ধারণা।

১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড ও তার পরবর্তী ঘটনাবলি নিয়ে দুই সমরনায়কের যথেষ্ট পরিমাণে মতভেদ থাকলেও, এই ঘটনার সঙ্গে কোনো বিদেশি শক্তির হাত ছিল কি না—এ প্রশ্নে দুজনই প্রায় একমত।

কে এম সফিউল্লাহ বলেছেন, ‘এ ব্যাপারে আমার কাছে কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। তবে তাদের বিভিন্ন কার্যকলাপে বাইরের কোনো কোনো শক্তির হাত ছিল বলে আমি বিশ্বাস করি। বঙ্গবন্ধু সরকারের পতনের পর যারা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে নতুন সরকারকে স্বীকৃতি দেয়, স্বাগত জানায়, তাতে তো তাদের পরোক্ষ সমর্থন ছিল বলে মনে করার কারণ রয়েছে।’

অন্যদিকে একটি সুনির্দিষ্ট ঘটনার উল্লেখ করে একই মত প্রকাশ করেন শাফায়াত জামিল, ‘...এ সময় একটা আশ্চর্য ব্যাপার ঘটে। জিয়ার সঙ্গে আমার কথোপকথন হচ্ছিল ইংরেজি-বাংলা মিশিয়ে। আমাদের সংলাপের যে অংশগুলো বাংলায় ছিল, তা সঙ্গে সঙ্গে লাইনে থাকা অন্য কেউ ভাষান্তর করে দিচ্ছিল, যেটা আমি পরিষ্কার শুনতে পাচ্ছিলাম। আমার সন্দেহ নেই, বঙ্গভবনের টেলিফোন এক্সচেঞ্জে এমন কেউ অবস্থান করছিল, যে আমাদের সংলাপ বিদেশি কোনো সূত্রের কাছে ভাষান্তর করে দিচ্ছিল। খোদ বঙ্গভবনে অবস্থান করেই কেউ সে কাজটা করছিল।’

আমরা মনে করি, সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। সাক্ষাৎকারগ্রহীতার সেই প্রস্তুতি, দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণেই দুই সমরনায়কের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে খুলে যায় ইতিহাসের দরজা ও জানালা। এ কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাঠক ও গবেষকের জন্য এটি একটি অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ।

এ রকম কৌতূহলোদ্দীপক নানা মত ও মন্তব্যের কারণে পুরো বইটি শ্বাসরুদ্ধকর পাঠ-অভিজ্ঞতার অংশ হয়ে ওঠে। সাংবাদিকসুলভ অনুসন্ধিৎসা থেকে মতিউর রহমান দুই সমরনায়কের অভিজ্ঞতা, পর্যবেক্ষণ ও মত তুলে ধরে আমাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি স্নায়ুক্ষয়ী সময়ের বৃত্তান্ত তুলে ধরতে সমর্থ হয়েছেন। তাঁর নেওয়া সাক্ষাৎকারের মোক্ষম প্রশ্নাবলি বিতর্ক উসকে দিয়েছে, যা পক্ষান্তরে পাঠকের কৌতূহল নিবৃত্ত করেছে। ভূমিকাংশে তিনি নিজেই বলেছেন, ‘কোনো ঐতিহাসিক চরিত্রের সাক্ষাৎকার গ্রহণের আগে গ্রহীতারও যথেষ্ট প্রস্তুতি নিতে হয়। তবেই তো মাটি খুঁড়ে জল বের করার মতো সত্যের নির্যাসটুকু ছেঁকে তোলার চেষ্টা করা যায়।’

আমরা মনে করি, সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। সাক্ষাৎকারগ্রহীতার সেই প্রস্তুতি, দক্ষতা ও যোগ্যতার কারণেই দুই সমরনায়কের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যে খুলে যায় ইতিহাসের দরজা ও জানালা। এ কারণে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের পাঠক ও গবেষকের জন্য এটি একটি অবশ্যপাঠ্য গ্রন্থ।

  • ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: কে এম সফিউল্লাহ ও শাফায়াত জামিল বিতর্ক
    সাক্ষাৎকার ও সম্পাদনা: মতিউর রহমান

    প্রকাশক: প্রথমা প্রকাশন, ঢাকা
    প্রথম প্রকাশ: আগস্ট ২০২১
    সপ্তম মুদ্রণ: ফেব্রুয়ারি ২০২৪
    প্রচ্ছদ: মাসুক হেলাল
    পৃষ্ঠা: ১২৮; মূল্য: ৩০০ টাকা

Read full story at source