ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে: অর্থমন্ত্রী

· Prothom Alo

আজ সোমবার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা

ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, প্রথমে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে; এরপর ধীরে ধীরে গতি ফিরবে। বাংলাদেশ প্রবৃদ্ধির নতুন পর্যায়ে যাবে।

Visit extonnews.click for more information.

আজ সোমবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচিত গবেষক, উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি ও সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।

শিল্প খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি, শিল্পভিত্তিক গবেষণা ও উদ্ভাবন উৎসাহিত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের আওতাধীন ‘স্কিলস ফর ইন্ডাস্ট্রি কম্পিটিটিভনেস অ্যান্ড ইনোভেশন প্রোগ্রামের’ আওতায় এ অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে গবেষকদের যুক্ত করার ক্ষেত্রে এটা দেশের প্রথম সরকারি উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন অর্থ বিভাগের সচিব মো. খাইরুজ্জামান মজুমদার। এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যে ভঙ্গুর অর্থনীতি পেয়েছি, তা পুনরুদ্ধারের কাজ চলছে। এ থেকে বেরিয়ে আসার পথ তৈরি হচ্ছে। আমরা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করছি।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনীতিতে যেসব সংস্কার, নিয়ন্ত্রণ শিথিল, নীতিমালা প্রণয়ন ও প্রণোদনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর সুফল ধীরে ধীরে পাওয়া যাবে। পাশাপাশি কর্মসংস্থান বাড়াতে সারা দেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্মসংস্থানের জন্য সারা দেশে দক্ষতা উন্নয়ন কেন্দ্র গড়ে তোলা হচ্ছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের অর্থনীতি ভালো দিকে যাবে।

সভায় বিভিন্ন খাতে উদ্ভাবনী গবেষণার জন্য ১২ জনকে অর্থ ও পুরস্কার দেওয়া হয়। শিল্পের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে তাঁরা এই অর্থ কাজে লাগাবেন। ৭০ লাখ থেকে আড়াই কোটি পর্যন্ত টাকা দেওয়া হয় তাঁদের। মোট ২৩ কোটি টাকার অর্থসহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে স্বাগত বক্তব্যে মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন বলেন, শিল্পের উদ্ভাবনী সমাধানের জন্য মোট ১২৩টি প্রকল্প জমে পড়েছিল। সেখান থেকে ১২টি বাছাই করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা এক বছর তাঁদের গবেষণা করে সমাধানের পথ দেখাবেন।

মোহাম্মদ ওয়ালিদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, নির্বাচিত প্রতিটি প্রকল্পের গবেষক আগে সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করেছেন। পরবর্তীকালে তাঁদের ধারণাপত্রের ভিত্তিতে প্রকল্প বাছাই করা হয়েছে। এক বছর গবেষণার পর এসব উদ্ভাবনী সমাধান শিল্পে প্রয়োগ করা হবে।

এসব প্রকল্পের মধ্যে আছে ছোট হিমাগার থেকে মাছের খাবার বিতরণের যন্ত্র তৈরির প্রযুক্তি, ফেলে দেওয়া সুতা থেকে প্যাকেজিং উপকরণ তৈরি ইত্যাদি।

Read full story at source