কলকাতায় আদানি গোষ্ঠীর ২ হাজার শয্যার হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

· Prothom Alo

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় সর্বাধুনিক চিকিৎসার একটি দুই হাজার শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি নির্মাণ করছে ভারতের অন্যতম শিল্পগোষ্ঠী গৌতম আদানি গোষ্ঠী।

Visit newsbetting.bond for more information.

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতার নিউ টাউনের সিলিক্যান ভ্যালিতে এ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। সেখানে অনুষ্ঠিত হয় ভূমিপূজাও। এ অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের অন্যতম শীর্ষ ধনী শিল্পপতি গৌতম আদানি। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্ত্রী ও বড় পুত্র করণ আদানি।

হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর শিল্পপতি গৌতম আদানি বলেন, বাংলার কথা মনে করে প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে দুই হাজার শয্যার সর্বাধুনিক চিকিৎসাসংবলিত আধুনিক হাসপাতাল; যা গড়া হবে ভারতের এইমস হাসপাতালের ধাঁচে। এখানে থাকবে মেডিক্যাল কলেজ, হাসপাতাল, চিকিৎসা গবেষণাগার, নার্সিং স্কুল, আউটডোর চিকিৎসাসহ হাসপাতালের নানা সুযোগ-সুবিধা।

দুই হাজার শয্যার মধ্যে এক হাজার শয্যা থাকবে গরিব ও দুস্থ মানুষের জন্য। বিনা খরচে তাদের চিকিৎসা হবে। গৌতম আদানি আরও বলেন, এ হাসপাতাল নির্মাণের প্রাথমিক খরচ হবে চার হাজার কোটি রুপি। ৫১ একর জমিজুড়ে হবে হাসপাতাল কমপ্লেক্স।

গৌতম আদানি বলেন, এ হাসপাতালের নাম হবে ‘আদানি আরোগ্য মন্দির’। তিনি বলেন, লাভের জন্য নয়, এ হাসপাতাল মানুষের সেবার জন্য। এখানে বিভিন্ন রোগের সর্বাধুনিক চিকিৎসা পাওয়া যাবে। দুস্থরা পাবে বিনা মূল্যে চিকিৎসা।

গৌতম আদানি বলেন, বাংলার বিকাশ না হলে ভারতের বিকাশ হবে না। এই বাংলা থেকে ‘বন্দে মাতরম’ ধ্বনি উঠেছিল। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই বাংলায় পরিকাঠামো খাতে এক লাখ কোটি রুপি বিনিয়োগের লক্ষ্য স্থির করা হয়েছে। এ হাসপাতালকে ঘিরে ১০ হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

গৌতম আদানি গতকাল বুধবার কলকাতায় এসেছেন। আজ সকালে তিনি কলকাতার ঐতিহাসিক কালীমন্দিরে পূজা দেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর সহধর্মিণী।

এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ৪৯ বছর পর এ বাংলায় শিল্পের খরা কাটছে। এখন বইবে শিল্পায়নের জোয়ার। তাই বাংলার জন্য আজ এক গৌরবের দিন। ঐতিহাসিক দিন। এই বাংলায় এখন দেশের সব শিল্পপতি শিল্প গড়ার আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা এই বাংলাকে আমাদের ডবল ইঞ্জিন সরকারকে নিয়ে সুজলা-সুফলা ও সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলব।’

Read full story at source