নরসিংদীসহ বিভিন্ন স্থানে ধর্ষণ ও সহিংসতার প্রতিবাদে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ

· Prothom Alo

নরসিংদীসহ সারা দেশে ক্রমবর্ধমান ধর্ষণ ও সহিংসতার ঘটনার প্রতিবাদে ও অপরাধী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণ থেকে এই বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়।

Visit xsportfeed.life for more information.

মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক দিয়ে বের হয়ে শাঁখারীবাজার, জজকোর্ট ও ঢাকা ন্যাশনাল হাসপাতাল এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এরপর বাহাদুর শাহ পার্ক ঘুরে বিশ্বজিৎ চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী শামসুল আলম মারুফ বলেন, নরসিংদীতে যে ঘটনা ঘটেছে, তা নতুন নয়। জুলাই–পরবর্তী সময়ে সহিংসতা বন্ধ হয়নি। সারা দেশে মানুষের জীবনের ন্যূনতম নিরাপত্তা নেই। অন্তর্বর্তী সরকারও ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন–পরবর্তী সময়েও সারা দেশে নৈরাজ্য চলছে এবং পুলিশ প্রশাসন নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। তারা ‘মোরাল পুলিশিং’, সাধারণ জনতার ওপর নিপীড়ন চালাচ্ছে, কিন্তু যখন ধর্ষণ হয়, মানুষ নিপীড়নের শিকার হয়, তখন নিশ্চুপ।

শিক্ষা ও গবেষণা বিভাগের শিক্ষার্থী শান্তা আক্তার নরসিংদীর নৃশংস ঘটনার বিবরণ দিয়ে বলেন, প্রথমবার ধর্ষণের শিকার হওয়ার পর বিচারের বদলে উল্টো চাপের মুখে মেয়েটিকে যখন তাঁর বাবা খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন, তখন ধর্ষক ‘নূরা’ তাকে ছিনিয়ে নিয়ে আবার ধর্ষণ ও হত্যা করেন।

শান্তা আক্তার বলেন, আগে যদি ধর্ষণের বিচার হতো, তাহলে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতো না। অপরাধীর কোনো রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে না। অনতিবিলম্বে এই ধর্ষণের বিচার করতে হবে।

কোনো দল বা ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করে সমাবেশে আইন বিভাগের শিক্ষার্থী রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘অপরাধীর শাস্তি নিশ্চিত না করে আপনি বহিষ্কার বহিষ্কার খেলায় মেতে আছেন। অপরাধ করলে আপনি বহিষ্কার করছেন। কিন্তু বহিষ্কার কখনো সংবিধিবদ্ধ কিংবা পেনাল কোডের শাস্তি হতে পারে না। একটা দেশের বিচারব্যবস্থার জন্য এটি চরম লজ্জার ও ন্যক্কারজনক অধ্যায়ের সূচনা করেছেন।’

Read full story at source