‘রোজগারর লাগি ছেলেটারে বিদেশ দিছিলাম, সব শেষ’

· Prothom Alo

বাহরাইনে নির্মাণাধীন একটি বহুতল ভবনে কাজ করার সময় ক্রেন ভেঙে পড়ে জসিম মিয়া (২৭) নামের এক বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার এ দুর্ঘটনা ঘটে।

জসিম মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দড়িতাজপুর গ্রামের আবদুল গফফার ও সামারুন বেগম দম্পতির ছেলে।

Visit playerbros.org for more information.

স্বজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, আবদুল গফফার দীর্ঘদিন বাহরাইনে কর্মরত ছিলেন। বয়স হয়ে যাওয়ায় তিনি দেশে ফিরে আসেন। পরে বড় ছেলে জসিমকে সেখানে পাঠান। আট থেকে নয় বছর ধরে জসিম সেখানে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

জসিমের স্বজনেরা বলেন, গতকাল দুপুরে একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবনের ছাদে ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। এ সময় সিমেন্ট ও বালুর মিশ্রণ তোলার কাজে ব্যবহৃত একটি ক্রেন ভেঙে জসিমের ওপর পড়ে। তিনি গুরুতর আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয় পুলিশ লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। পরে পরিচিত বাংলাদেশিরা পরিবারের কাছে এ খবর জানান।

আজ বুধবার দুপুরে মুঠোফোনে জসিমের বাবা কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, দেশে ফেরার কিছুদিন পর তিনি পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হন। বর্তমানে তিনি স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারেন না। দুই ছেলে ও দুই মেয়ের মধ্যে জসিম সবার বড়। তাঁর উপার্জনেই পরিবারের ভরণপোষণ চলত। আক্ষেপ করে বলেন, ‘রোজগারর লাগি ছেলেটারে বিদেশ দিছিলাম, সব শেষ।’

বাহরাইনে জসিমের পরিচিত কয়েকজন বাংলাদেশি তাঁর মরদেহ দেশে পাঠানোর চেষ্টা করছেন।

জসিমের মৃত্যুতে পরিবারটি অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তায় পড়েছে বলে জানালেন টিলাগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফটিক আলী।

Read full story at source