বিশ্বমঞ্চে মারজানার আবিষ্কারের জয়জয়কার

· Prothom Alo

কলেজজীবনে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে প্রথম চোখ রাখা মারজানা আক্তার আজ বিশ্বমঞ্চের বিস্ময়। হাঁস-মুরগির নতুন ভাইরাস আবিষ্কার করে তিনি জায়গা করে নিয়েছেন এশিয়ার সেরা ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায়—তাও কনিষ্ঠতম গবেষক হিসেবে। মাতৃত্ব ও অসুস্থতার কঠিন লড়াই জয় করে বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল করা

Visit afrikasportnews.co.za for more information.

এই তরুণ বিজ্ঞানীর গল্প...

কলেজপড়ুয়া অবস্থায় জীবনে প্রথমবারের মতো মাইক্রোস্কোপে চোখ রেখেছিলেন মারজানা আক্তার। মুহূর্তেই তাঁর সামনে উন্মোচিত হয় এক আশ্চর্য নতুন জগৎ। বিস্ময়ের সঙ্গে তিনি প্রত্যক্ষ করেন কোষের শৈল্পিক বিন্যাস। কাচের স্লাইডের নিচে থাকা অদেখা এক জগতের সন্ধান পেয়ে তাঁর কৌতূহল আরও বেড়ে যায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সময় সেই আশ্চর্য জগতের রহস্য উন্মোচনের জন্যই তিনি বেছে নেন জীববিজ্ঞানকে।

প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশোনার পাট চুকিয়ে মারজানা আক্তার নিজেই এখন এক বিস্ময়। দেশের সীমানা পেরিয়ে বহির্বিশ্বেও তাঁর নামডাক ছড়িয়েছে, একে একে তাঁর ঝুলিতে জমা হয়েছে নানা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। সর্বশেষ তিনি সিঙ্গাপুরভিত্তিক বিজ্ঞানবিষয়ক জনপ্রিয় সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট-এ প্রকাশিত এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছেন। ২০২৬ সালের মর্যাদাপূর্ণ এই তালিকায় তাঁর সঙ্গে আরও দুই বাংলাদেশি গবেষক স্থান পেয়েছেন। তবে সবচেয়ে আনন্দের বিষয় হলো এই ১০০ জনের মধ্যে মারজানাই কনিষ্ঠতম বা সবচেয়ে কম বয়সী বিজ্ঞানী!

জ্বরের জন্য দায়ী কে, ভাইরাস নাকি ব্যাকটেরিয়া
মারজানা আক্তার জানান, তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্রগুলো হলো সংক্রামক রোগ, ভাইরোলজি, মাইক্রোবিয়াল জিনোমিকস, বায়োসিকিউরিটি ও ওয়ান হেলথ।

যে গবেষণায় এল স্বীকৃতি

২০১৬ সাল থেকে প্রতিবছর এশিয়ান সায়েন্টিস্ট ম্যাগাজিন বিভিন্ন শাখায় এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করে আসছে। এবারের, অর্থাৎ ২০২৬ সালের তালিকায় কনিষ্ঠতম বিজ্ঞানী হিসেবে ঠাঁই পেয়েছেন মারজানা। তিনি মূলত পোলট্রি বা হাঁস-মুরগি খাতের সম্পূর্ণ নতুন ও আগে শনাক্ত না হওয়া একটি ভাইরাস আবিষ্কার করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এটি বাংলাদেশের ভাইরোলজি গবেষণায় অনেক বড় একটি মাইলফলক।

মারজানা আক্তার জানান, তাঁর গবেষণার মূল ক্ষেত্রগুলো হলো সংক্রামক রোগ, ভাইরোলজি, মাইক্রোবিয়াল জিনোমিকস, বায়োসিকিউরিটি ও ওয়ান হেলথ। তাঁর গবেষণার প্রধান লক্ষ্য, রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু কীভাবে পরিবর্তিত হয়, কীভাবে নতুন ধরন তৈরি করে এবং সেই পরিবর্তনগুলো দ্রুত শনাক্ত করে কীভাবে রোগের বিস্তার নিয়ন্ত্রণ করা যায়, তা উদ্‌ঘাটন করা। স্নাতকোত্তর গবেষণায় তিনি বাংলাদেশের পোলট্রিতে প্রথমবারের মতো চিকেন ইনফেকশাস অ্যানিমিয়া ভাইরাসের (সিআইএভি) জিনোটাইপ থ্রি-বি স্ট্রেইন শনাক্ত করেন। ভাইরোলজি গবেষণায় এটি একটি বড় সংযোজন। এই ভাইরাস মুরগির রোগ প্রতিরোধক্ষমতা দুর্বল করে দেয়। ফলে অন্য সংক্রমণের ঝুঁকি বেড়ে যায় এবং পোলট্রিশিল্পে ব্যাপক অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়।

মারজানা তাঁর গবেষণায় শুধু ভাইরাসটির উপস্থিতিই শনাক্ত করেননি; বরং সম্পূর্ণ জিনোম ও রোগতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যও বিশ্লেষণ করেছেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের পোলট্রি খাতে ভাইরাসটির বিবর্তন, সংক্রমণের ধরন এবং ভবিষ্যতে কার্যকর নজরদারি ও টিকা উদ্ভাবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক তথ্য পাওয়া গেছে।

ভাইরাস সংক্রমণে কি ক্যানসার হতে পারে
২০২৫ সালে জাতিসংঘের ইয়ং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপের জন্য বিশ্বের ১৯৩টি দেশ থেকে মাত্র যে ১০ জন তরুণী গবেষককে বেছে নেওয়া হয়েছিল, মারজানা ছিলেন তাঁদেরই একজন!

মারজানা আরও জানান, তাঁর গবেষণা শুধু পোলট্রি রোগের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। তিনি মাইক্রোবিয়াল জিনোমিকস ব্যবহার করে বিভিন্ন রোগজীবাণুর জিনগত বৈশিষ্ট্য, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা জীবাণুর ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে ওঠা এবং সংক্রমণের বিস্তারের ধরন নিয়েও কাজ করেছেন। তাঁর গবেষণা বাংলাদেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, সংক্রামক রোগ কখনো দেশের সীমানা মেনে চলে না।

এ ছাড়া মারজানা আক্তারের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গবেষণার আগ্রহের ক্ষেত্র হলো বায়োসিকিউরিটি বা জৈব নিরাপত্তা। অর্থাৎ বিপজ্জনক জীবাণু ও জৈব উপাদানের নিরাপদ ব্যবহার, গবেষণাগারের নিরাপত্তা এবং জীববিজ্ঞানের দায়িত্বশীল প্রয়োগ নিশ্চিত করা নিয়ে তিনি কাজ করছেন।

মারজানা এর আগেও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মেধার স্বীকৃতি পেয়েছেন। ২০২৫ সালে জাতিসংঘের ইয়ং উইমেন ফর বায়োসিকিউরিটি ফেলোশিপের জন্য বিশ্বের ১৯৩টি দেশ থেকে মাত্র যে ১০ জন তরুণী গবেষককে বেছে নেওয়া হয়েছিল, মারজানা ছিলেন তাঁদেরই একজন! এই ১০ তরুণীর মধ্যে তিনিই ছিলেন একমাত্র বাংলাদেশি। সেখানে তিনি আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে জৈবিক অস্ত্র কনভেনশন, বৈশ্বিক বায়োসিকিউরিটি নীতি, বায়োসেফটি এবং দায়িত্বশীল জীবনবিজ্ঞান নিয়ে কাজ করেছেন। এ ছাড়া তিনি বাংলাদেশের ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহে জাতীয় সম্মাননাও লাভ করেছিলেন।

এ পর্যন্ত মারজানার ৯টি আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। দ্য ল্যানসেট মাইক্রোব, মাইক্রোবায়োলজি স্পেকট্রাম, ডায়াগনস্টিক মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেস, রিসার্চ ইন ভেটেরিনারি সায়েন্স, ভেটেরিনারি মেডিসিন অ্যান্ড সায়েন্স-এর মতো আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিজ্ঞান সাময়িকী বা জার্নালগুলোয় তাঁর গবেষণাকর্ম প্রকাশিত হয়েছে।

ভাইরাস আগে না ব্যাকটেরিয়া আগে
বর্তমানে মারজানা জাতিসংঘের ফেলোশিপ পেয়ে সুইজারল্যান্ডে কর্মরত। তবে গবেষণার প্রয়োজনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই তাঁকে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়।

যেভাবে পেয়েছেন সাফল্য

মারজানা আক্তারের বাড়ি কুমিল্লায়। ছোটবেলা থেকেই বিজ্ঞান, বিশেষ করে জীববিজ্ঞানের প্রতি গভীর কৌতূহল নিয়ে বড় হয়েছেন তিনি। প্রচুর বিজ্ঞানবিষয়ক বই পড়তেন আর বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি দিকগুলো জানা ও বোঝার চেষ্টা করতেন। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাসের পর তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) থেকে বায়োকেমিস্ট্রি ও মলিকুলার বায়োলজি বিভাগে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) থেকে মাইক্রোবায়োলজি অ্যান্ড হাইজিন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। এখানেই তিনি জীবাণু, ভাইরাস ও রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার সঙ্গে সরাসরি কাজ করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

বর্তমানে মারজানা জাতিসংঘের ফেলোশিপ পেয়ে সুইজারল্যান্ডে কর্মরত। তবে গবেষণার প্রয়োজনে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই তাঁকে নিয়মিত যাতায়াত করতে হয়। মারজানার এ সাফল্যের পথচলার পেছনে লুকিয়ে রয়েছে অধ্যবসায়, পরিশ্রম ও একাগ্রতার এক অসাধারণ গল্প। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও তিনি কখনো হাল ছাড়েননি; বরং মনোবল শক্ত করে কঠিন পথ পাড়ি দিয়েছেন।

গবেষণাগারে অণুবীক্ষণ যন্ত্রে মগ্ন তরুণ বিজ্ঞানী মারজানা আক্তার। কলেজজীবনের সেই কৌতূহলী চোখ আজো মগ্ন অণুজগতের রহস্যভেদে

তিনি জানান, স্নাতকোত্তর পড়ার সময় তাঁকে কঠিন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হয়েছিল। তিনি তখন সন্তানসম্ভবা। এ অবস্থাতেই তাঁকে ক্লাস, ল্যাব, থিসিস লেখা—সবকিছুই করতে হয়েছে। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত টানা পড়াশোনা ও গবেষণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন। এর মধ্যেই গর্ভাবস্থার ষষ্ঠ মাসে শ্বাসকষ্টের কারণে পাঁচ দিন তাঁকে দুঃসহ যন্ত্রণায় আইসিইউতে কাটাতে হয়েছিল।

আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই জাপানের সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে মারজানার ল্যাবের গবেষণা নির্বাচিত হয়েছিল। কিন্তু অসুস্থ থাকায় তিনি এতে অংশ নিতে পারেননি। এতে সাময়িক মন খারাপ হলেও তাঁর মনোবল ভাঙেনি; বরং আত্মবিশ্বাস আরও বাড়িয়ে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে গেছেন। কারণ, তিনি বিশ্বাস করেন, ‘প্রতিটি না পাওয়াতেই আদতে পরবর্তী সাফল্যের প্রস্তুতি লুকিয়ে থাকে।’ গবেষণাই তাঁকে ধৈর্য ও অধ্যবসায় শিখিয়েছে বলে জানান তিনি।

ভাইরাস কি মারা যায়
আইসিইউতে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতেই জাপানের সাকুরা সায়েন্স এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামে মারজানার ল্যাবের গবেষণা নির্বাচিত হয়েছিল। কিন্তু অসুস্থ থাকায় তিনি এতে অংশ নিতে পারেননি।

হাসপাতালের বিছানায় থাকা অবস্থাতেই মারজানা সংকল্প করেন, সুস্থ হয়ে যেভাবেই হোক থিসিসের কাজ শেষ করবেন। পরে হাসপাতাল থেকে ফিরে অসুস্থ শরীরেও তিনি থিসিসের কাজ চালিয়ে গেছেন। সন্তানের জন্মের পর ছোট্ট বাচ্চাকে নিয়ে গবেষণাও চালিয়ে গেছেন সমানতালে। তাঁর এই যাত্রাপথে সব সময় পরিবারের সদস্যরা উৎসাহ জুগিয়েছেন। মা আরেফিন নাহার পাপন ও বাবা আবদুস সাত্তারের নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও অবিচল বিশ্বাস তাঁকে প্রতিটি কঠিন মুহূর্তে সাহস জুগিয়েছে। মারজানার বড় ভাই সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আরফান উদ্দীন সব সময় তাঁকে নতুন স্বপ্ন দেখতে এবং নিজের সামর্থ্যের ওপর বিশ্বাস রাখতে অনুপ্রাণিত করেছেন। পাশাপাশি তাঁর স্বামী ইউশা আরাফ এবং গবেষণা তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক গোলজার হোসেনও তাঁকে দারুণ অনুপ্রেরণা দিয়েছেন।

মারজানা আক্তারের স্বামী ইউশা আরাফ বাংলাদেশের মালিকানাধীন প্রথম ওয়্যারলেস পাওয়ার প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রেজোলিংকের সহপ্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি নিউজিল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ডে পিএইচডি করছেন। মারজানা জানান, গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তিকে বাস্তব শিল্পে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা ইউশা আরাফ শুধু তাঁর জীবনসঙ্গীই নন, গবেষণাযাত্রারও একজন নির্ভরযোগ্য সহযাত্রী। সেই চ্যালেঞ্জিং সময়টাতে তাঁর স্বামী ইউনিভার্সিটি অব অকল্যান্ডে পিএইচডি করছিলেন। তবে প্রতিদিন ফোনকলে তিনি পরামর্শ দিতেন ও অনুপ্রেরণা জোগাতেন। এমনকি বায়োসিকিউরিটি ও বায়োলজিক্যাল ওয়েপনস কনভেনশন সম্পর্কে তিনিই প্রথম মারজানাকে বিস্তারিত জানান।

ভাইরাস শব্দটি যেভাবে পেলাম
মারজানা জানান, গবেষণাভিত্তিক প্রযুক্তিকে বাস্তব শিল্পে রূপ দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা ইউশা আরাফ শুধু তাঁর জীবনসঙ্গীই নন, গবেষণাযাত্রারও একজন নির্ভরযোগ্য সহযাত্রী।

মারজানা বলেন, দূরে থেকেও তাঁর স্বামী প্রতিটি ধাপে বৈজ্ঞানিক দিকনির্দেশনা, মানসিক শক্তি এবং অবিচল সমর্থন দিয়ে পাশে ছিলেন। আর এখন মারজানার সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা তাঁর ছোট্ট মেয়ে আনাইজা আরাফ। তিনি চান, একদিন আনাইজা যেন গর্ব করে বলতে পারে, ‘আমার মা শত কঠিন পরিস্থিতিতেও কখনো হাল ছাড়েননি।’

বিজ্ঞান নিয়ে নিজের স্বপ্নের কথা বলতে গিয়ে মারজানা আক্তার বলেন, ‘আমার কাছে বিজ্ঞান কেবল একটি পেশা নয়, এটি মানুষের জীবনকে নিরাপদ করা, ভবিষ্যতের মহামারি মোকাবিলায় প্রস্তুতি গড়ে তোলা এবং বাংলাদেশের তরুণ গবেষকদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দেওয়ার একটি অঙ্গীকার। আমার স্বপ্ন হলো বাংলাদেশকে সংক্রামক রোগ গবেষণা, বায়োসিকিউরিটি এবং বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিশ্বের একটি শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা।’ এ ছাড়া বাংলাদেশের তরুণ গবেষক এবং গবেষণায় মেয়েদের জন্য আরও নতুন সুযোগ তৈরির উদ্যোগ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন এই তরুণ বিজ্ঞানী।

লেখক: সাংবাদিক*লেখাটি ২০২৬ সালে বিজ্ঞানচিন্তায় জুলাই সংখ্যায় প্রকাশিতভাইরাস আক্রমণকারী ভাইরাস!

Read full story at source