ঐশীকে যতবার অপশন দেওয়া হবে, ততবারই কেন বান্দরবান বেড়াতে যেতে চাইবেন

· Prothom Alo

কোনো কোনো জায়গার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে ব্যক্তিগত গল্প, যেখানে প্রথম যাওয়ার দিনটা মনে থাকে আজীবন। বারবার সেখানে ফিরে যেতে চায় মন। প্রথম আলোর শনিবারের ক্রোড়াপত্র ‘ছুটির দিনে’র নিয়মিত বিভাগ ‘ফিরে ফিরে যাই’-তে প্রিয় ভ্রমণস্থানের গল্প বলেন নানা ক্ষেত্রের বিখ্যাত ব্যক্তিরা। আজ বলেছেন সংগীতশিল্পী ফাতিমা তুয যাহরা ঐশী। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সজীব মিয়া

প্রিয় বেড়ানোর জায়গা?

গান গাইতে গিয়ে দেশের ৫২ জেলায় যাওয়া হয়েছে। কিন্তু ভ্রমণ বলতে যা বোঝায়, ঠিক সেটা হয়েছে কম। দেশের মধ্যে বান্দরবান আর কক্সবাজার আমার প্রিয়। এই দুটি জায়গায় আমাকে যতবার যেতে বলবে, ততবারই যেতে রাজি।

Visit betsport24.es for more information.

যদি একটি বলেন…

বান্দরবান।

কেন?

ছোটবেলা থেকে মনে করে এসেছি, সাগর আমাকে বেশি টানে। কারণ, তখনো পাহাড় দেখিনি। একটা বয়সে এসে প্রথমবার যখন বান্দরবান গেলাম, তখন মনে হলো, সাগর–পাহাড়—দুটোই আমাকে টানে। এরপর সাগরকে ছাপিয়ে পাহাড় আমার একটু বেশি প্রিয় হয়ে উঠল।

বান্দরবান ভ্রমণে ঐশীর অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত আছে

প্রথম কবে গিয়েছিলেন?

ওই যে বললাম, সব সময় আসলে কাজ নিয়ে ব্যস্ত থেকেছি, তাই একটু কমই ঘোরা হয়েছে। গত দুই–তিন বছরে আমার মধ্যে একটা পরিবর্তন এসেছে। মনে হয়েছে, শুধু কাজ করলেই হবে না, একটু ঘুরতেও হবে। সেই সুবাদেই বান্দরবান প্রথম গিয়েছি কয়েক বছর আগে।

বান্দরবান ঘোরার পর এখন মনে হয়, আমাকে যতবার অপশন দেওয়া হবে, আমি ততবারই বান্দরবান যেতে চাইব।

জায়গাটা ঘিরে স্মরণীয় কোনো স্মৃতি?

বান্দরবানে অনেক স্মরণীয় মুহূর্ত আছে। এর মধ্যে স্বামীর সঙ্গে যখন গিয়েছিলাম, তখন একেবারেই অন্য রকম একটা হানিমুন ফেজ ছিল। ফলে বান্দরবানে আমরা অনেক অনেক স্মৃতি তৈরি করেছি।

তার মধ্যে একটা ঘটনা আমার খুব মনে পড়ে। পাহাড়ের ওপর দোলনায় দোল খেতে খেতে চা খেয়েছি। আমি একটু টংয়ে চা খাওয়া, রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চা খাওয়া—এ ধরনের একেবারে সাধারণ, স্বাভাবিক জীবনের বিষয়গুলো খুব পছন্দ করি। ব্যক্তিগতভাবে এভাবে থাকতে আমার ভালো লাগে। পাহাড়ের চূড়ায় বসে দোলনায় দোল খেতে খেতে চা খাওয়া, এটা আমার জন্য খুব স্পেশাল একটা মুহূর্ত ছিল।

হাওরে বেড়াতে যাচ্ছেন? প্রশাসনের এই ১৩ নির্দেশনা জেনে রাখুনগায়িকা ফাতিমা তুয জাহরা ঐশী

আমরা বাইক নিয়ে ঘুরতেও খুব পছন্দ করি। পাহাড়ের উঁচু-নিচু রাস্তায় বাইকে করে ঘুরেছি। অভিজ্ঞতাটা খুবই থ্রিলিং ছিল।

বিদেশে প্রিয় গন্তব্য?

ফ্রান্স।

কারণ সেখানে গিয়ে মনে হয়েছে, এটা একেবারে পিওরলি একটা ভালোবাসার শহর। তবে আমার একটা আক্ষেপ আছে। আমি যখন ফ্রান্সে গিয়েছি, সেটাও অনুষ্ঠানের সুবাদে। আমার সঙ্গীকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারিনি। আমার ইচ্ছা আছে, আবার কোনো এক সময় প্যারিসে যাব, স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে।

এই দেশে কারাগার আছে একটি, বন্দী মাত্র ১১ জন—সবাই বিদেশি নাগরিক

Read full story at source