স্কুল হোক বুলিংমুক্ত: সহমর্মিতা ও বন্ধুত্বে বেড়ে উঠুক শিশুরা

· Prothom Alo

‘ক্রাঞ্চ আউট বুলিং উইথ মাইটি চিপস’ শীর্ষক ক্যাম্পেইনটি আজ বুধবার রাজধানীর ধানমন্ডি বয়েজ হাইস্কুলে উদ্বোধনী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শুরু হবে

স্কুলজীবন মানেই পড়াশোনার পাশাপাশি বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, খেলাধুলা ও নানা আনন্দের মুহূর্ত। শিশুদের মানসিক বিকাশে এসব অভিজ্ঞতার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তবে এ সময়ে অনেক শিশুকে সামলাতে হয় সহপাঠীদের চাপ, উপহাস কিংবা বুলিংয়ের মতো পরিস্থিতি। এর প্রভাব পড়তে পারে শিশুর আত্মবিশ্বাস ও মানসিক স্বাস্থ্যে। অনেক সময় এসব অভিজ্ঞতার কথা কাউকে বলতে পারে না শিশুরা।

Visit playerbros.org for more information.

শিশুদের মানসিক সুস্থতা ও বুলিং বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে আজ বুধবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘ক্রাঞ্চ আউট বুলিং উইথ মাইটি চিপস’ শীর্ষক ক্যাম্পেইন। মাইটি চিপসের উদ্যোগে আয়োজিত ক্যাম্পেইনের মূলবার্তা, ‘মাইটি কিডসরা বুলিং করে না।’ এ কার্যক্রমে স্কুলশিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে সচেতনতামূলক ও অংশগ্রহণমূলক নানা আয়োজন।

আজ রাজধানীর ধানমন্ডি বয়েজ হাইস্কুলে উদ্বোধনী কার্যক্রমের মধ্য দিয়ে শুরু হবে ক্যাম্পেইনটি। পর্যায়ক্রমে ঢাকা ও চট্টগ্রামের আটটি স্কুলে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে।

৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, ১৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) ইউরোপিয়ান স্ট্যান্ডার্ড স্কুল, ১৪ অক্টোবর (বুধবার) হিড ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং ১৫ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) খিলগাঁও সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম সরকারি কলেজিয়েট স্কুলে ২৮ অক্টোবর (বুধবার) এবং মির্জা আহমেদ ইস্পাহানি হাইস্কুলে ২৯ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) আয়োজনটি হবে।

শিশুরা জানাবে মনের কথা

ক্যাম্পেইনের বিশেষ আয়োজন ‘স্পিক আপ’ লেটারবক্স। শিক্ষার্থীরা নিজেদের কোনো সমস্যা, অনুভূতি কিংবা উদ্বেগের কথা পরিচয় প্রকাশ না করেই চিঠির মাধ্যমে জানাতে পারবে। এসব বিষয় নিয়ে অনুষ্ঠানে শিশুদের সঙ্গে আলোচনা করবেন কাউন্সেলররা।

এ ছাড়া প্রতিটি আয়োজনেই থাকবে সংগঠন হিলিং হার্টের শিশু কাউন্সেলরদের সঙ্গে সরাসরি ও অংশগ্রহণমূলক সেশন। বুলিং কী, এর প্রভাব কী হতে পারে এবং কোনো শিক্ষার্থী বুলিংয়ের শিকার হলে কীভাবে সাহায্য চাইতে পারে—এসব বিষয় নিয়ে সহজভাবে আলোচনা করা হবে।

পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের জন্য থাকবে পাপেট শো ও মাইম শো। বিনোদনের মাধ্যমে বুলিং, সহমর্মিতা ও একে অন্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার বার্তা তুলে ধরা হবে।

‘বুলিং নয়, বন্ধুত্ব’

আয়োজকেরা জানান, শিশুদের মধ্যে সহমর্মিতা, বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ ও একে অন্যের কথা শোনার মানসিকতা তৈরি করাই এ ক্যাম্পেইনের অন্যতম লক্ষ্য। শিশুরা যেন নিজেদের সমস্যা নিয়ে চুপচাপ না থাকে, প্রয়োজনে যেন নির্ভরযোগ্য বড়দের সঙ্গে কথা বলে এবং অন্যের প্রতি সহমর্মী হয়—এসব বিষয়ে সচেতনতা তৈরির করাই আয়োজনের উদ্দেশ্য।

Read full story at source