ইরানে আবার হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেল ও এআই অবকাঠামো ধ্বংসের হুমকি

· Prothom Alo

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল নতুন করে কোনো সামরিক আগ্রাসন চালালে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সর্বাত্মক পাল্টা আঘাতের কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। ওয়াশিংটন ও তেল আবিব আবার হামলা চালালে উপসাগরীয় অন্তত সাতটি দেশের তেল স্থাপনা, সমুদ্রতলের ডেটা কেব্‌ল, ডেটা সেন্টার ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছে তেহরান। ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মহসেন রেজাই এ কড়া বার্তা দিয়েছেন।

মহসেন রেজাই বলেন, সংঘাত ছড়িয়ে পড়লে তেহরান আরও বড় ও ধ্বংসাত্মক সামরিক কৌশল নেবে। তিনি বলেছেন, একদিকে ইরানের অর্থনৈতিক চালিকা শক্তিতে আঘাত হানা হবে, আর অন্যদিকে হামলাকারীদের সহযোগী অর্থনৈতিক অবকাঠামো অক্ষত থাকবে, এমন কোনো সমীকরণ মেনে নেওয়া হবে না।

Visit catcross.biz for more information.

ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকারের উপদেষ্টা মেহেদি মোহাম্মাদি জানান, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু নতুন হামলার বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, এবার হামলা হলে ইরান সেটিকে অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে বিবেচনা করবে। তেহরানের নতুন রণকৌশলে কোনো সীমারেখা বা ‘রেডলাইন’ থাকবে না। এ কারণে এই যুদ্ধ শত্রু পক্ষের হিসাব-নিকাশের চেয়েও দীর্ঘস্থায়ী হবে এবং বিশাল অঞ্চলজুড়ে ছড়িয়ে পড়বে।

হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরি, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে ওয়াশিংটন।

মার্কিন গণমাধ্যমে সম্প্রতি প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পরপর ইরানে যৌথ হামলার জন্য পেন্টাগন সম্ভাব্য লক্ষ্যবস্তুর পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করেছে।

ইরানে হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে তিনটি বিমানবাহী রণতরি, হাজার হাজার মেরিন সেনা ও অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান মোতায়েন করছে ওয়াশিংটন। এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করতে সম্প্রতি ইসরায়েল সফর করে নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

আসন্ন যুদ্ধের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে ইতিমধ্যে অপরিশোধিত ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১১৩ দশমিক ৪ ডলারে পৌঁছেছে।

ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা ফারস জানিয়েছে, নতুন যুদ্ধে ইরানের কর্মকর্তাদের লক্ষ্য করে হামলা বা সাধারণ নাগরিক হত্যা করা হলে তেহরান সামরিক লক্ষ্যবস্তুর পাশাপাশি রাজনৈতিক কেন্দ্রগুলোকেও নিশানায় পরিণত করবে।

Read full story at source