আমেরিকায় ডুকা অ্যাসোসিয়েশনের পিকনিক ২০২৬
· Prothom Alo

আমেরিকায় বসবাসকারী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ঢাকা ইউনিভার্সিটি কেমিস্ট্রি অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন ইন আমেরিকা সংক্ষেপে ডুকা। বিগত বছরগুলোতে অর্জিত সফলতার ধারাবাহিকতায় একইভাবে ২০২৬ সালেও অনুষ্ঠিত হলো ডুকা পিকনিক ও মিলনমেলা। ডেলাওয়ার স্টেটের বেলেভু স্টেট পার্কে গতকাল শনিবার, ৮ আগস্ট ২০২৬ তারিখে ছিল এ আয়োজন।
Visit michezonews.co.za for more information.
ডুকা পিকনিক ও মিলনমেলা ২০২৬–এর এ আয়োজনে ৬টা অঙ্গরাজ্য থেকে আসা প্রায় ২০টা পরিবারের উপস্থিতি ছিল। আয়োজনের মূল দায়িত্ব স্বেচ্ছায় হাতে নিয়েছিলেন অত্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আমজাদ হোসেন ভাই ও তাঁর সহধর্মিণী পারভিন শিউলি ভাবি। ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যের অধিবাসী আর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন হওয়ায় তাঁদেরকে এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দিয়ে আয়োজক কমিটির আমরা অন্যরা বেশ নির্ভার ও স্বস্তিতে ছিলাম! পিকনিক স্পট বাছাইকরণ, নিত্যপ্রয়োজনীয় কেনাকাটা, বিশেষ উপহারসামগ্রী বাংলাদেশ থেকে তৈরি করে নিয়ে আসা, সব কাজে কো–অর্ডিনেশন, যোগাযোগ, স্পট প্রস্তুতি ইত্যাদির প্রায় সবকিছুতে তাঁদের সবচেয়ে বেশি অবদান। এগুলো প্রচুর সময়সাপেক্ষ ও ধৈর্যের বিষয়। একই স্টেট থেকে পরিবারসহ এসেছেন ড. আনন্দ।
নর্থ ক্যারোলাইনা থেকে প্রায় তিন ঘণ্টা গাড়ি চালিয়ে বেলা ১১টায় উপস্থিত হন অ্যালামনাইয়ের সবচেয়ে সিনিয়র ড. ফাহিম। ৮২ বছর বয়স্ক শান্ত স্বভাবের মানুষ তিনি, শারীরিক ও মানসিকভাবে এখনো দারুণ সচল। মেরিল্যান্ড থেকে দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে অনুষ্ঠানে পরিবারসহ যোগ দিয়েছেন ড. লাসকর। একই স্টেটের জন হপকিনস বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত বড় বিজ্ঞানী ড. হাসান ও ড. সুব্রতও উপস্থিত ছিলেন পরিবারসহ। নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছিলেন ড. সোহেল, ড. নিলা ও প্রফেসর আলতাফ। একইভাবে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে গাড়ি চালিয়ে ভার্জিনিয়া থেকে এসে সপরিবার পিকনিকে অংশগ্রহণ করেন জর্জ মেসন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. সাইফুল। উপস্থিত অন্যরা প্রায় সবাই পরিবারসহ কাছাকাছি পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্য থেকে এসেছেন। পেনস্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসাদ ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ড. দেলোয়ার, ড. সুরভি, ড. মুনির, ড. সাদেক, ইভা, ড. নাজমুল, ড. জাহাঙ্গীর, ড. নাদিম ও জয়।
দূর পরবাসে জীবনের গল্প, নানা আয়োজনের খবর, ভিডিও, ছবি ও লেখা পাঠাতে পারবেন পাঠকেরা। ই-মেইল: [email protected]
সকাল ১০টায় পিকনিক স্পটের প্রস্তুতি শেষ হলে কিছুক্ষণ পরপর একেক পরিবার আসতে থাকে, একসময় উপস্থিতির পরিপূর্ণতা আসে। সবাইকে উপহারসামগ্রীসহ উষ্ণ অভ্যর্থনায় বরণ করে সকালের নাশতা দিয়ে আপ্যায়িত করা হয়। এতে ছিল শিঙাড়া, পিৎজা, কুকি, কাপকেপ ইত্যাদি। এরপর পরিচিতিপর্ব ও গল্পভরা স্মৃতিচারণা দিয়ে আড্ডায় থাকাটা ছিল অত্যান্ত মজার। তারপর মূল খাবার পর্ব—দেশীয় বিভিন্ন মজাদার খাবার। পড়ে মেয়েদের জন্য ফান খেলা, ছেলেদের ফান খেলা, পুরস্কার বিতরণী এবং আগামীর ভাবনা দিয়ে পিকনিক ও মিলনমেলা ২০২৬ পরিপূর্ণতা পায়।